Posts

নিকারাগুয়ার কবি রুবেন দারিওর কবিতা মঈনুস সুলতান

Image
  নিকারাগুয়ার কবি রুবেন দারিওর কবিতা মঈনুস সুলতান ভাবানুবাদ : মঈনুস সুলতান কবি-পরিচিতি : কবি রুবেন দারিওর জন্ম ১৮৬৭ সালের ১৮ জানুয়ারি নিকারাগুয়ার মেটাপা শহরে। পেশাগতভাবে কবি কিছুকাল যুক্ত ছিলেন সাংবাদিকতার সঙ্গে। কূটনীতিক হিসেবেও কাজ করেছেন কিছুদিন। হিস্প্যানিক আমেরিকার কাব্যসাহিত্যে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে ‘মডার্নিজমো’ বা ‘আধুনিকায়ন’ আন্দোলনের তিনি ছিলেন পুরোধা পুরুষ। কবিতায় ছন্দ, মাত্রা ও বাক্প্রতিমার আধুনিকায়নে তাঁকে পথিকৃৎ বিবেচনা করা হয়ে থাকে। হিস্প্যানিক কাব্যকলায় তিনি সৃজন করেছেন সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র রীতি, যা আঙ্গিক ও বিষয়বস্ত্তর নিরিখে তৈরি করেছে নতুন এক ট্র্যাডিশন। চোদ্দো বছর বয়সে রুবেন দারিও কবিতা লিখতে শুরু করেন এবং ‘বালক কবি’ অভিধায় পরিচিত হয়ে ওঠেন। বিষয়বস্ত্ত হিসেবে তাঁর কবিতায় জীবনভর ফিরে ফিরে আসে ভালোবাসা, বিষণ্ণতা, বীরত্ব ও অভিযানপ্রিয়তা। শুরু থেকেই কবিতায় তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল আন্তরিক, নিজস্ব এবং কল্পনার চিত্রময় সম্পদে ভরপুর। ১৮৮৬ সালে ভ্রমণপ্রয়াসী কবি নিকারাগুয়া ত্যাগ করে সফর করেন এল সালভাদর, কোস্টারিকা প্রভৃতি দেশ। অতঃপর চিলিতে কিছুদিনের জন্য থিতু হলে প্রকাশিত হয় গল্প...

বিদায় _____সোনিয়া হক

Image
কবি বিদায় _____সোনিয়া হক মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায় মনে হয় কে যেনো ডাকছে আমায়। ঘর ভরা নির্জনতা দিয়ে উপহার,  তুমি থাকো ভুলে মোরে চাওয়ার ওপার। মুঠোফোন ঘুমোঘোরে তুলে নেই হাতে সব এ্যাপস খুঁজেে দেখি, কল এলো কি তাতে?  না, কোন কল  আসেনি, ডাটা অফও করিনি, পাছে তুমি কল দাও, দিয়ে যদি না পাও। তবে কি হলাম আমি হেনোসিয়েশান রুগি আমি যে স্পষ্ট শুনি টিং টোন বা সুনু বলে ডাকছো তুমি। আমার এ ভ্রম কাটবে কবে, কবে যে মন আমার শান্ত হবে?  মেনে নেবে আমি একা, দোকা চেয়ে পাই ধোঁকা একা হয়ে আছি বেশ, সাথে নিয়ে স্বপ্নীল আবেশ। সারারাত কেটে যায়, জেগে আর কেঁদে আশায় আশায়, প্রভাত আলো ফুটতেই আশার শেষ আলোটুকু নিভে যায়।  থেকেও যে নাই, তার দিকে বারবার কেনো ফিরে চাই?  আর নয় অপেক্ষা, পিছু ফিরে দেখা, এবার বন্ধু নিলাম চিরবিদায়।    বিদায় সোনিয়া হক <><><><><><><><><><>

পোষা পায়রা ___আগন্তুক নবীন

Image
  পোষা পায়রা আগন্তুক নবীন সুখের ঐ পায়রা টাকে ধরে নিয়ে আয় না ওকে,  পুরে রাখি খাঁচায় তাকে,   বুকে রাখুক আগুন ঢেকে!  ভুলে ঐ খোলা আকাশ বক্ষে করুক সে বাস,  নিয়ে বুকে অচেনা শ্বাস , থাক ভুলে আত্মবিশ্বাস ! আগ্রহে পায়রা থাকে মোহের বশে বদ্ধ খাঁচায়, আঁকে ছবি বসে মায়ায় মোহ তার সুখের আশায়!  সুখেরই লাগাম ধরে পরে থাকে আকুল রোষে,  হায়রে কোন আক্রোশে , আছে বসে ভালোবেসে!  ও পায়রারে তুই কেমন করে উড়িস বসে মনে , আহারে পুড়িস আগুনে,  গুন গুন কোন ফাগুনে!  চোখে তোর স্বপন মেখে আনিস দুঃখ ডেকে,  ডেকে ডেকে আকুল বুকে,  ভাব খানি বেশ তো সুখে! <><><><><><> ১/বিদায়ী শব্দগুচ্ছ ২/খেয়ালী হেলায়।

ছুঁয়ে যাক পরলোক। _____বকুল হক।

Image
  কবি পরিচিতি ।  ছুঁয়ে যাক পরলোক। _____বকুল হক। সে যে, আমার কতখানি প্রিয়  বলতে পারিনা আমি যার, মুল্য দিতে যায়না পারা তার চেয়ে অনেক দামী।  তাজমহল, রক্ত-গোলাপ নয় নয় ঐ চাঁদের আলো, নয় কোনো এক অভিসারী রাত যে রাতে বেসেছি ভালো।  এত বেশি কেন মনে পড়ে তারে ক্ষণে ক্ষণে যেন ডাকে আঁখি পল্লব প্রতি পলে পলে খুঁজে ফেরে শুধু তাকে। নিঝুম রাতে ঝিঁঝি পোকারা ক্লান্তহীন ডেকে চলে দেখিনা ওদের তবু আছে ওরা কত কথা আমায় বলে, গল্প শোনায় কবিতা শোনায় রাত জাগা কিছু পাখি, কখন জানি ভোর নিয়ে আসে কিচিরমিচির রবে ডাকি। প্রতি রাতজাগা এ আঁখিপাতা ভিজে যায় তোমায় ভেবে কেঁদে কেঁদে বলি নাও না আমায় তোমার কাছে কি নেবে? আমি যে তোমায় মনে করি এত তুমি কি বুঝতে পারো? এত তৃষ্ণা, তোমায় মনে করে আমি কেন  মরে যাই না আরো? ইচ্ছা হয় আমার এ কবিতা খানি অনন্ত লম্বা হোক ইহলোক থেকে যেতে যেতে কবিতা ছুঁয়ে যাক পরলোক। <><><><><><><><> ১/রঙিন গ্লাসে নাচছে ২/সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ জেগে এবং ঘুমে ৩/কবি ও কবিতা  Generated by Embed Youtube Video online

মোঃ মাইদুল ইসলাম এক গুচ্ছ কবিতা।

Image
  কবি পরিচিতি  তুমি আমি গুনাগার  ____মোঃ মাইদুল ইসলাম. যে বসন্ত তোমার হাতিয়ার  মনে রেখো তা ক্ষণিকের,  কতজন হয়েছে কুপোকাত সময়ের গড় মিলে  আমি জানতে চাই তুমি কবে অনুতপ্ত হবে? এখনো তরী তোমার দুয়ারে  দোষী হয়ে কেন নির্দোষ ভাবো?  তুমি অন্ধ নয়  তা ঠিক আছে।  নিজে না বুঝিলে জ্ঞান নাও জ্ঞানীর অর্থ সম্পদ কি হবে যদি না থাকে মান?  নিজের চরণ তলায় মাটি নেই  অন্যের বসত ভিটা করিও না আর উচ্ছেদ।  সময়ের যাযাবর তুমি আমি  কোথায় পাও এত অহংকার?  হিসাব কষে দেখো ভাই  দিনশেষে তুমি আমি গুনাহগার।  ============= ১/আমি কে? ২/দিন শেষে তুমিই নায়ক। ৩/ছেলে মেয়েরা কি খেলার পুতুল। ৪/তোমার চোখ কি কপালে।

মোঃ ফিরোজ কবির এর এক গুচ্ছ কবিতা

Image
  কবি পরিচিতি  কি লাভ এ কবিতা লিখে ____মোঃ ফিরোজ কবির  কাঁচের গ্লাসের মত ভেঙে যাবে মর্তের খেলাঘর, বিক্ষিপ্ত তুলোর মতো উড়ে যাবে সাজানো বাসর। প্রেমহীন বেদনায় কাঁদবে জগৎ একা-একা। তবুও ভালোবাসি! মিছেমিছি হাসি! দুরুদুরু হৃদয়ে এক মুহূর্ত বেঁচে থাকার  আকুল বাসনা। আর একটু সময়!মাত্র দুটো দিন। না,আর সময় নেই। কতো প্রেম? কতো ক্লেম!? অছিহ্ন বন্ধন,ছিঁড়ে চলে যাবো আমরা সকলে, কেউ রবে না, পড়ে থাকবে একলা ধরণী। শুধুই মায়া,ছেড়ে যেতে চায় না মন, একবিন্দু দূরে। কি লাভ এ কবিতা লিখে? কে পড়বে এ কবিতা? ১/গুনি হও ২/ কথা ৩/ক্ষণিকের দুনিয়া ৪/ তাহাজ্জুদের দোয়া

কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র ____ বাগবুল মাহবুব

Image
  কবি পরিচিতি   কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র   ____ বাগবুল মাহবুব  কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র জীর্ণ চেতনার বুকে আগুন দাও জ্বেলে, সমতার ছোঁয়া লাগুক প্রাণে আলোর পিছে চলি আধার পিছনে ফেলে। কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র শুনবো আবার অনাগত সুন্দরের হাসি, শোষিতের বুকে প্রত্যাশা হোক কুলাঙ্গার শাসকের হোক মরণ ফাঁসি।  কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র বিপন্ন মানবতার বুকে এঁকে যাক স্বপ্ন, লোলুপ কামনা হাতছানি দেয় প্রত্যাশার ছায়ায় শুধু সতত থেকো মগ্ন। কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র  ভেঙে দিতে হিংস্র ফণীরাজের বিষদাঁত, লুটিয়ে দিতে বিলাস মহল শোষকের মাথায় পড়ুক যত অভিসম্পাত। কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র স্রষ্টা আর সৃষ্টির মাঝে দূরত্ব মুছে দিতে, মিশে গিয়ে ক্ষিপ্ত প্রলয় শিখায় ধ্বংসের মাঝেই আবার নতুন জন্ম নিতে। কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র টানাপোড়নের মাঝে বাঁচিয়ে রাখতে আশা, হারানোর ভয় হয়ে যাক দুর ম্লান হবে জানি দুরাচারের দুচোখের নেশা। কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র  যুদ্ধে হারানল শিশুর  ফিরিয়ো আনুক হাসি, ঘৃণার আঘাড থামিয়ে দিতে নব্য ঈশ্বরকে পরিয়ে দিতে মরণ ফাঁসি। কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র গৃহহারা পথ শিশুর ফিরিয়ে দিতে ঠিকানা, বৈষম্যের দেয়া...