Posts

Showing posts from April, 2024

নিকারাগুয়ার কবি রুবেন দারিওর কবিতা মঈনুস সুলতান

Image
  নিকারাগুয়ার কবি রুবেন দারিওর কবিতা মঈনুস সুলতান ভাবানুবাদ : মঈনুস সুলতান কবি-পরিচিতি : কবি রুবেন দারিওর জন্ম ১৮৬৭ সালের ১৮ জানুয়ারি নিকারাগুয়ার মেটাপা শহরে। পেশাগতভাবে কবি কিছুকাল যুক্ত ছিলেন সাংবাদিকতার সঙ্গে। কূটনীতিক হিসেবেও কাজ করেছেন কিছুদিন। হিস্প্যানিক আমেরিকার কাব্যসাহিত্যে ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে ‘মডার্নিজমো’ বা ‘আধুনিকায়ন’ আন্দোলনের তিনি ছিলেন পুরোধা পুরুষ। কবিতায় ছন্দ, মাত্রা ও বাক্প্রতিমার আধুনিকায়নে তাঁকে পথিকৃৎ বিবেচনা করা হয়ে থাকে। হিস্প্যানিক কাব্যকলায় তিনি সৃজন করেছেন সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র রীতি, যা আঙ্গিক ও বিষয়বস্ত্তর নিরিখে তৈরি করেছে নতুন এক ট্র্যাডিশন। চোদ্দো বছর বয়সে রুবেন দারিও কবিতা লিখতে শুরু করেন এবং ‘বালক কবি’ অভিধায় পরিচিত হয়ে ওঠেন। বিষয়বস্ত্ত হিসেবে তাঁর কবিতায় জীবনভর ফিরে ফিরে আসে ভালোবাসা, বিষণ্ণতা, বীরত্ব ও অভিযানপ্রিয়তা। শুরু থেকেই কবিতায় তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল আন্তরিক, নিজস্ব এবং কল্পনার চিত্রময় সম্পদে ভরপুর। ১৮৮৬ সালে ভ্রমণপ্রয়াসী কবি নিকারাগুয়া ত্যাগ করে সফর করেন এল সালভাদর, কোস্টারিকা প্রভৃতি দেশ। অতঃপর চিলিতে কিছুদিনের জন্য থিতু হলে প্রকাশিত হয় গল্প...

বিদায় _____সোনিয়া হক

Image
কবি বিদায় _____সোনিয়া হক মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায় মনে হয় কে যেনো ডাকছে আমায়। ঘর ভরা নির্জনতা দিয়ে উপহার,  তুমি থাকো ভুলে মোরে চাওয়ার ওপার। মুঠোফোন ঘুমোঘোরে তুলে নেই হাতে সব এ্যাপস খুঁজেে দেখি, কল এলো কি তাতে?  না, কোন কল  আসেনি, ডাটা অফও করিনি, পাছে তুমি কল দাও, দিয়ে যদি না পাও। তবে কি হলাম আমি হেনোসিয়েশান রুগি আমি যে স্পষ্ট শুনি টিং টোন বা সুনু বলে ডাকছো তুমি। আমার এ ভ্রম কাটবে কবে, কবে যে মন আমার শান্ত হবে?  মেনে নেবে আমি একা, দোকা চেয়ে পাই ধোঁকা একা হয়ে আছি বেশ, সাথে নিয়ে স্বপ্নীল আবেশ। সারারাত কেটে যায়, জেগে আর কেঁদে আশায় আশায়, প্রভাত আলো ফুটতেই আশার শেষ আলোটুকু নিভে যায়।  থেকেও যে নাই, তার দিকে বারবার কেনো ফিরে চাই?  আর নয় অপেক্ষা, পিছু ফিরে দেখা, এবার বন্ধু নিলাম চিরবিদায়।    বিদায় সোনিয়া হক <><><><><><><><><><>

পোষা পায়রা ___আগন্তুক নবীন

Image
  পোষা পায়রা আগন্তুক নবীন সুখের ঐ পায়রা টাকে ধরে নিয়ে আয় না ওকে,  পুরে রাখি খাঁচায় তাকে,   বুকে রাখুক আগুন ঢেকে!  ভুলে ঐ খোলা আকাশ বক্ষে করুক সে বাস,  নিয়ে বুকে অচেনা শ্বাস , থাক ভুলে আত্মবিশ্বাস ! আগ্রহে পায়রা থাকে মোহের বশে বদ্ধ খাঁচায়, আঁকে ছবি বসে মায়ায় মোহ তার সুখের আশায়!  সুখেরই লাগাম ধরে পরে থাকে আকুল রোষে,  হায়রে কোন আক্রোশে , আছে বসে ভালোবেসে!  ও পায়রারে তুই কেমন করে উড়িস বসে মনে , আহারে পুড়িস আগুনে,  গুন গুন কোন ফাগুনে!  চোখে তোর স্বপন মেখে আনিস দুঃখ ডেকে,  ডেকে ডেকে আকুল বুকে,  ভাব খানি বেশ তো সুখে! <><><><><><> ১/বিদায়ী শব্দগুচ্ছ ২/খেয়ালী হেলায়।

ছুঁয়ে যাক পরলোক। _____বকুল হক।

Image
  কবি পরিচিতি ।  ছুঁয়ে যাক পরলোক। _____বকুল হক। সে যে, আমার কতখানি প্রিয়  বলতে পারিনা আমি যার, মুল্য দিতে যায়না পারা তার চেয়ে অনেক দামী।  তাজমহল, রক্ত-গোলাপ নয় নয় ঐ চাঁদের আলো, নয় কোনো এক অভিসারী রাত যে রাতে বেসেছি ভালো।  এত বেশি কেন মনে পড়ে তারে ক্ষণে ক্ষণে যেন ডাকে আঁখি পল্লব প্রতি পলে পলে খুঁজে ফেরে শুধু তাকে। নিঝুম রাতে ঝিঁঝি পোকারা ক্লান্তহীন ডেকে চলে দেখিনা ওদের তবু আছে ওরা কত কথা আমায় বলে, গল্প শোনায় কবিতা শোনায় রাত জাগা কিছু পাখি, কখন জানি ভোর নিয়ে আসে কিচিরমিচির রবে ডাকি। প্রতি রাতজাগা এ আঁখিপাতা ভিজে যায় তোমায় ভেবে কেঁদে কেঁদে বলি নাও না আমায় তোমার কাছে কি নেবে? আমি যে তোমায় মনে করি এত তুমি কি বুঝতে পারো? এত তৃষ্ণা, তোমায় মনে করে আমি কেন  মরে যাই না আরো? ইচ্ছা হয় আমার এ কবিতা খানি অনন্ত লম্বা হোক ইহলোক থেকে যেতে যেতে কবিতা ছুঁয়ে যাক পরলোক। <><><><><><><><> ১/রঙিন গ্লাসে নাচছে ২/সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ জেগে এবং ঘুমে ৩/কবি ও কবিতা  Generated by Embed Youtube Video online

মোঃ মাইদুল ইসলাম এক গুচ্ছ কবিতা।

Image
  কবি পরিচিতি  তুমি আমি গুনাগার  ____মোঃ মাইদুল ইসলাম. যে বসন্ত তোমার হাতিয়ার  মনে রেখো তা ক্ষণিকের,  কতজন হয়েছে কুপোকাত সময়ের গড় মিলে  আমি জানতে চাই তুমি কবে অনুতপ্ত হবে? এখনো তরী তোমার দুয়ারে  দোষী হয়ে কেন নির্দোষ ভাবো?  তুমি অন্ধ নয়  তা ঠিক আছে।  নিজে না বুঝিলে জ্ঞান নাও জ্ঞানীর অর্থ সম্পদ কি হবে যদি না থাকে মান?  নিজের চরণ তলায় মাটি নেই  অন্যের বসত ভিটা করিও না আর উচ্ছেদ।  সময়ের যাযাবর তুমি আমি  কোথায় পাও এত অহংকার?  হিসাব কষে দেখো ভাই  দিনশেষে তুমি আমি গুনাহগার।  ============= ১/আমি কে? ২/দিন শেষে তুমিই নায়ক। ৩/ছেলে মেয়েরা কি খেলার পুতুল। ৪/তোমার চোখ কি কপালে।

মোঃ ফিরোজ কবির এর এক গুচ্ছ কবিতা

Image
  কবি পরিচিতি  কি লাভ এ কবিতা লিখে ____মোঃ ফিরোজ কবির  কাঁচের গ্লাসের মত ভেঙে যাবে মর্তের খেলাঘর, বিক্ষিপ্ত তুলোর মতো উড়ে যাবে সাজানো বাসর। প্রেমহীন বেদনায় কাঁদবে জগৎ একা-একা। তবুও ভালোবাসি! মিছেমিছি হাসি! দুরুদুরু হৃদয়ে এক মুহূর্ত বেঁচে থাকার  আকুল বাসনা। আর একটু সময়!মাত্র দুটো দিন। না,আর সময় নেই। কতো প্রেম? কতো ক্লেম!? অছিহ্ন বন্ধন,ছিঁড়ে চলে যাবো আমরা সকলে, কেউ রবে না, পড়ে থাকবে একলা ধরণী। শুধুই মায়া,ছেড়ে যেতে চায় না মন, একবিন্দু দূরে। কি লাভ এ কবিতা লিখে? কে পড়বে এ কবিতা? ১/গুনি হও ২/ কথা ৩/ক্ষণিকের দুনিয়া ৪/ তাহাজ্জুদের দোয়া

কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র ____ বাগবুল মাহবুব

Image
  কবি পরিচিতি   কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র   ____ বাগবুল মাহবুব  কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র জীর্ণ চেতনার বুকে আগুন দাও জ্বেলে, সমতার ছোঁয়া লাগুক প্রাণে আলোর পিছে চলি আধার পিছনে ফেলে। কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র শুনবো আবার অনাগত সুন্দরের হাসি, শোষিতের বুকে প্রত্যাশা হোক কুলাঙ্গার শাসকের হোক মরণ ফাঁসি।  কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র বিপন্ন মানবতার বুকে এঁকে যাক স্বপ্ন, লোলুপ কামনা হাতছানি দেয় প্রত্যাশার ছায়ায় শুধু সতত থেকো মগ্ন। কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র  ভেঙে দিতে হিংস্র ফণীরাজের বিষদাঁত, লুটিয়ে দিতে বিলাস মহল শোষকের মাথায় পড়ুক যত অভিসম্পাত। কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র স্রষ্টা আর সৃষ্টির মাঝে দূরত্ব মুছে দিতে, মিশে গিয়ে ক্ষিপ্ত প্রলয় শিখায় ধ্বংসের মাঝেই আবার নতুন জন্ম নিতে। কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র টানাপোড়নের মাঝে বাঁচিয়ে রাখতে আশা, হারানোর ভয় হয়ে যাক দুর ম্লান হবে জানি দুরাচারের দুচোখের নেশা। কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র  যুদ্ধে হারানল শিশুর  ফিরিয়ো আনুক হাসি, ঘৃণার আঘাড থামিয়ে দিতে নব্য ঈশ্বরকে পরিয়ে দিতে মরণ ফাঁসি। কবিতা হোক অমোঘ অস্ত্র গৃহহারা পথ শিশুর ফিরিয়ে দিতে ঠিকানা, বৈষম্যের দেয়া...

মা ____সুমাইয়া_আমান_নিতু

Image
  সুমাইয়া আমান মিতু পরিচিতি  : মা ____সুমাইয়া_আমান_নিতু জিনিসপত্র বুঝিয়ে দিয়ে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অসম্ভব সুদর্শন লোকটি বললেন, "আপনার আর কিছু লাগলে এখনই বলুন।" আমি একটু হেসে বললাম, "যা এনেছেন সেগুলোই প্রয়োজনের অতিরিক্ত।" "তবুও যদি লাগে..ওহ! আপনার কাছে ছাতা আছে?" "জ্বি না।" "আমি দেখছি এখানে পাওয়া যায় কি না। যদিও বৃষ্টি নেই, তবু বাদলার দিন। ওখানে কী অবস্থা কে জানে...এখানে ছাতা পাওয়া যাবে কি না তাও জানি না...." লোকটা বিড়বিড় করতে করতে চলে গেলেন সামনে থেকে। পড়ুন: বান্ধবির মায়ের সাথে সম্পর্ক  এদিকে আমার পাশে বসা ভদ্রমহিলা অবাক হয়ে কান্ড দেখছিলেন। লোকটা চলে যেতেই মহিলাটি জিজ্ঞেস করলেন, "তোমার স্বামী তোমারে আপনি কইয়া ডাকে ক্যান?" "উনি আমার স্বামী নন।" "তাইলে কী?" মহিলার চোখে ঘোরতর সন্দেহ। আমি হাসলাম। বললাম, "উনার এত যত্ন দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। উনি যা করছেন, তারচেয়ে ঢের বেশি আমি তার জন্য করছি।"  বলে উঠে পড়লাম। কিছুদূর এগিয়ে পেছনে তাকিয়ে দেখলাম মহিলা হা হয়ে আছেন। তবে তার চেহারা একরকম তৃপ্তি ভাব ...

কোন মায়ার বাঁধনে _____সিরাজুল ইসলাম মোল্লা

Image
  লেখক পরিচিত  কোন মায়ার বাঁধনে   _____সিরাজুল ইসলাম মোল্লা  কোন মায়ার বাঁধনে বাঁধলে আমায় মায়ামী, ছায়া হয়ে পিছুপিছু বলছে গো আছি আমি। মায়া মায়া করে আজও জগত সংসারে মন মিছে ছায়ার পিছে ঘুরে কাঁদে সারা জীবন। ভাবে যারে আপন, ভাবে যারে পরশ পাথর, বেলা শেষে দেখে সেই তো পর শুধুই পাথর। কিসের আশা কিসের ভালবাসা নশ্বর ভুবন, সইতে কইতে না পারে ভুলতে না পারে মন। সংসারে মায়ার সংসার না ছাড়ি রূষ্ট জীবন,  তবু মায়ায় ফাঁসে মন, ছাড়তে না চায় ভুবন। জটিল সংসারে কঠিন বাস্তব জীবনে সবার, দিন শেষে মরীচিকা সাজানো স্বপ্ন দুনিয়ার। পৃথ্বীতে সৃষ্টির অদ্ভুত সৃষ্টি মায়া বড় মায়াময়,  পিছুটান আগলে রাখে গোপনে বদ্ধধরাময়। পাগল মন বলে অবুঝ মনে যদি ঝরে সাঁঝে, কেন কালক্ষেপণ সত্য তুলে নিতে হৃদমাঝে? যাই দেখি ভুবনে দু নয়নে ভালো লাগে মনে, সদা স্বপনে মগনে টানে অজানা আকর্ষণে। খুঁজে যায় মন কিযে, ফিরে চায় নৈশতন্দ্রায়, দিবসে আলোয় যেন রাতের আঁধার হারায়। জীবন আকাশে থাকুক যত মেঘের ঘনঘটা, আসবে না সে পশলা বৃষ্টি হয়ে,বৃথা ভাবাটা। এলে সে ঝড় ছোবল দিতে প্রাণে শেষ বেলা, ...

আমার প্রণয় ফিরিয়ে দাও --------আরিফুজ্জামান মুঈন

Image
  আমার প্রণয় ফিরিয়ে দাও --------আরিফুজ্জামান মুঈন বলো কোন সুদূরে আছ মোর হৃদবিলাসী , কাছে ছিলে হাসি খু্শি ফুলটুসি। মধুপিয়া ডাকিয়া যায় ফুলটুকি , তুমি তো ফিরে আর এলেনা সখী ; যেটুকু প্রণয় পেতে ছিল যে বাকি সেটুকু প্রেম ফিরিয়ে দাও প্রেয়সী। ঘন তিমিরের মাঝে হিমিকা , পথ চলি তারি মাঝে একা একা ; তুমি এসে আর দিলেনা দেখা , আজো বেদনায় কেটে যায় নিশি। কাঁদে মল্লিকা , ঐ কাঁদে ফুলঝারি , হৃষীকেশ আজো খোঁজে ব্রজকিশোরী ; এসো কোমল চরণে পরে গুজরী , চিরকাল থেকো যেন পাশাপাশি।  পড়ন্ত বেলা দিয়ে যাও একটু দিলাসা , মম হৃদ দলিজায় এতটুকু আশা ; ছড়িয়ে যাব হিয়ার বিভাসা সাজাব হৃদয় সরসী।  অর্ঘ্য দিও প্রিয় পুষ্পভরা ডালী ; তব হৃদ বাগিচায় , যে বাজায় মুরলী , তারে ফোটাতে দাও প্রীতির কলি ; ভরা কৌমুদী বুকে উঠুক প্রেমের শশী। <><><><><><><><><><><><><> ১/রণ হুংকার  ২/ফিরিয়ে দাও আমার মন ৩/বকুল করবী ৪/নিভৃতে কাঁদে বাসনা ৫/হৃদয়ের অনুপমা

মেঘের গল্প ____ডা.অমল কুমার বর্মন

Image
লেখক পরিচিত   মেঘের গল্প   ____ডা.অমল কুমার বর্মন   পাকুড় গাছের পাশে ছিল মেঘের থই থই অথই বাড়ি , পাকুড় গাছ মেঘকে বলল,তুই আয় আমি তোকে সবুজ হাওয়ার গল্পে বেনারসি পড়াব। মেঘ বুঝলো কি বুঝলো না বোঝা গেল না। হঠাৎ নীলাকাশ বাতাসে বার্তা পাঠিয়ে উড়িয়ে নিয়ে গেল মেঘের সাদা কালো ঘূরণী ! পাকুড় বোঝার আগেই যা হবার হলো। উথাল পাথাল জীবনের গল্প অল্প স্বল্প  মরে গেল মনেহয়। দেখাগেল সমস্ত সবুজ আলোহীন হলো পাকুড়ের শরীরে, সেই থেকে ঝরছে রক্ত, আর প্রেমিকেরা স্বপ্ন হীন ঘুরে ঘুরে ঘুড়ির মতো ব্যর্থতার পালকে নত ! <><><><><>\><><><><><> ১/ মন ২/আমি ঠিক আমি নই ৩/ছন্দ জানি ৪/ গীতি কবিতা ৫/শীতের স্তুপে

আমি চন্দ্রমল্লিকা হবো ____মোশাহেদ চৌধুরী।

Image
আমি চন্দ্রমল্লিকা হবো ____মোশাহেদ চৌধুরী।  আমি চন্দ্রমল্লিকা হবো -- ঘ্রাণহীন এক ফুল অনাদরে বেড়ে ওঠা চন্দ্রমল্লিকা।  নজরকাড়া রূপ নেই বলে একটুও আফসোস হয়না আমার সুরূপা সুঘ্রাণা কোনো ফুল হতে ইচ্ছে নেই মোটেও কেননা আমিতো জানি তুমি ভালোবাসো চন্দ্রমল্লিকা।  শ্রীহীন এই আমাকে কণ্ঠে জড়াবে না কোনোদিন তবু নতমুখী হয়ে থাকবো তোমার দৃষ্টিসীমায়।  তুমি ভালোবাসো বলেই আমি চন্দ্রমল্লিকা হবো। তোমার কোমল হাতের পরশ পেয়ে দোলবে আমার পাপড়িগুলো হাওয়ায় হাওয়ায়।  তারপর একদিন ---- একদিন ভালোবাসা বঞ্চিত হয়ে ঝরে পড়বো-- ঝরে পড়বো তোমার নিকোনো উঠোনে। <><><><><><><><><><><><> ১/ ফুলটা যদি পদ্ম হতো ২/আমরা করবো জয় ৩/তুমি শুনতে চাওনি বলেই। ৪/স্বাধীনতা পেতে হলে একটা মুজিব লাগে ৫/রহমতেরই দোকান পেতে

কীভাবে গল্প লিখতে হয় ____বেলাল হুসাইন।

Image
  লেখক   পরিচিতি কীভাবে গল্প লিখতে হয় ____বেলাল হুসাইন। গল্প লিখতে পারে এমন লোক দুনিয়ায় খুবই বিরল। লাখে একজন হবে। হয়তো আরও কম। অনেকেই জমিয়ে গল্প বলতে পারে। আসর মাতিয়ে তোলে তারা কথার ফুলঝুরি ছুটিয়ে। কিন্তু জমিয়ে গল্প বলা এক জিনিস, আর গল্প লেখা আরেক। গল্প লেখা মানে গল্প তৈরি করা। কাহিনি বানানো। সেটা একেবারে ভিন্ন ধরনের কাজ। কিন্তু কেন সবাই গল্প লিখতে পারে না? এর উত্তর খুবই সহজ। গল্প লেখার কিছু নিজস্ব কলাকৌশল আছে। আর সবাই সেটা রপ্ত করতে পারে না। কিন্তু কী সেই কলাকৌশল, তা ব্যাখ্যা করা কঠিন। তা ছাড়া দুনিয়ার সব লেখক এ বিষয়ে একমত হয়ে গেছেন যে গল্প লেখার কলাকৌশল কেউ কাউকে শিখিয়ে দিতে পারে না।এগুলো নিজে নিজে রপ্ত করে নিতে হয়। তবু কিছু সাধারণ নিয়ম নিশ্চয়ই আছে, যার গুণে একজনের লেখা আরেকজনের চেয়ে ভালো হয়ে ওঠে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা করা যায়। 444 পাঠকের চোখ দিয়ে দেখা লেখার সময় পাঠকের কথা মাথায় রাখতে হবে। সবার আগে ভাবতে হবে, তোমার লেখা কেউ পড়ছে। একেবারে অচেনা কেউ পড়ছে। পুরো গল্পটা তোমার মাথায় আছে বটে, কিন্তু ওই অপরিচিত পাঠক এর কিছুই জানে না। সে শুধু সেটুকুই জানছে, যেটুকু তুমি লিখছ। তুমি...

অসময়ের বাঘ ____মাজু ইব্রাহীম।

Image
  অসময়ের বাঘ  ____মাজু ইব্রাহীম।  পৃথিবীর চৌদিকে যখন নিপীড়নের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছিল; তখনও আমি শান্ত আছি! সে আগুনে কত শহর, নগর, বন্দর ধ্বংস হতে লাগলো- তখনও আমি শান্ত আছি। পৃথিবী পুড়লেও, নিপীড়নের আগুনের আঁচ লাগেনি আমায়! তাই আমি শান্ত, ভীষণ শান্ত। এরপর বর্ডার ক্রস করে যখন আমার দেশে আগুনের গোলা আসতে লাগলো, দাউ দাউ করে জ্বলতে শুরু করলো- তখনও আমি শান্ত আছি! আমার শহরে আগুন লাগেনি। অতঃপর আমার শহরে যখন নিপীড়নের আগুন জ্বলে উঠলো! তখন একটু নড়ে উঠলাম, আর কি শান্ত থাকা যায়? যখন আমায় সে আগুনের আঁচ লাগলো- তখন আমি ভীষণ অশান্ত হয়ে গেলাম; তাকিয়ে দেখি ততদিনে পুরো পৃথিবী শান্ত হয়ে গেছে। <><><><><><><><><><> ____মাজু ইব্রাহীম এর আরও কবিতা : ১/ বন্দী টিয়ে ২/ব্যবহার ৩/ লেবু ফুলের গন্ধ অসময়ের বাঘ   কবিতার আবৃত্তি শুনতে ক্লিক করুন।